প্রথম পরিচ্ছদ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

আলহামদুলিল্লাহে রাব্বিল আলামিন। ওয়াল আকেবাতুললিল মোত্তাকিন। ওয়াছ ছালাতু ওয়াছ ছালামু আলা রছুলিহি ছায়েদেনা মুহাম্ম দ। ওয়া আলা আলেছি ওয়া আছ ছাহাবিহি আজমাঈন। ইলাহি বেহুরমাতে হযরত খাজায়ে কায়েনাত ফকরে মওজুদাত, মাহ্ বুবে কিবরিয়ায়ে সুলতানুল আম্বিয়ায়ে ছায়েদিল মুরছালিন ইমামুল আওয়ালিন ওয়াল আখেরিন শাফিউল খালাকায়ে কুল্লে আজমাঈন। একতাদা'য়ে মারেফাতে ছোবহানা কুরছি নাশিন আয়ওয়ান হযরত মান্নান খাতেমান নাবিয়িন, আনিছুল গারেবিন ওয়া রাহমাতুল্লিল আলামিন মুহিব্বুল ফোকারায়ে ওয়াল গোরাবায়ে ওয়াল মাছাকিন। শামছিল আরেফিন ছেরাজুছ ছালেকিন মেছবাহুল মোকাররেবিন রাহাতুল আশেকিন মুরাদিল মোশতাকিন ইয়ানে আবুল কাছেম আহ্ম্ম দ মুজতা'বা মুহাম্ম দ মুস্তফা সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছাল্লাম সহ যত নবী অলি গাউছ কুতুব আল্লাহ পাকের যত অলি-আউলিয়া আছেন, তাঁদের প্রতি আমার অসংখ্য ছালাতুছ ছালাম। 

আমার মুর্শিদ কেবলার নুরী চরণে অসংখ্য ছালাতু ছালাম জানিয়ে মানবরুপে নুর নবী হযরত মুহাম্ম দ (সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম) কিতাবখানা লিখতে শুরু করলাম। 

সকলের দোয়া প্রাথী।
আমিন।

১. আল্লাহ পাক হাদিছে কুদছিতে ফরমাইয়াছেনঃ
"কুনতু কানজান মুগফিয়ান ফা আহবাবতু আনউরাফা ফা খালাকতুল খালকা।"  
অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা বলছেনঃ আমি গুপ্ত ছিলাম। নিজেকে প্রকাশ করার জন্য সৃষ্টি করিলাম।

২. নবীজি (সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম) বলেছেনঃ আমিই সর্বপ্রথম সাক্ষ্য দিয়েছি "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ (উপাস্য) নাই। আল্লাহ পাকের প্রথম প্রশ্নের উত্তর দাতা আমিই। আল্লাহ পাক বলেছেনঃ "আলাস্ত বে রাব্বেকুম" অর্থাৎ আমি কি তোমাদের রব নই? এই প্রশ্নের উত্তরদাতা নবীজি (সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম)। তিনি বলেছিলেনঃ কালু বালা। অর্থাৎ হ্যাঁ আপনিই আমাদের রব।

৩. আল্লাহ পাক বলেছেনঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মোহাম্ম দুর রাসুলাল্লাহ। অর্থাৎ মুহাম্ম দ আল্লাহর রাসুল। কোরআন শরীফের সুরা ফাতাহ আয়াত নং ২৮ এ  বলা হয়েছেঃ "ওয়া কাফাবিল্লাহে শাহিদান মোহাম্ম দুর রাসুলাল্লাহ।"

৪.আল্লাহ পাকের নাম আল্লাহ পাক। আরবী আবযাত সংখ্যা অনুযায়ী আল্লাহর নাম (৬৬)। ১+৩০+৩০+৫ = ৬৬। আল্লাহর এই নাম এছমে আযম।

৫. নবীজি (সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম) যখন আলমে আরওয়াহে ছিলেন, তখন তার নাম ছিল আহম্ম দ। আহম্ম দ নামের অর্থ অধিক প্রশংসনীয়। আরবী আবযাত সংখ্যা অনুযায়ী ৫৩। ১+৮+৪০+৪ = ৫৩। নবীজি (সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম) এর এই নাম ইসমে জাত।

৬. নবীজি (সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম) বলেছেনঃ আনা আহম্ম দু বেলা মিম। অর্থাৎ আমি মিম ব্যাতীত আহম্ম দ। আহম্ম দ এর মিম বাদ দিলে হয় আহাদ। অর্থাৎ তিনিই আহাদ।

৭. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম যখন দুনিয়াতে তশরীফ এনেছিলেন, তখন তার বাসারিয়াত ছুরতের নাম ছিলঃ মুহাম্ম দ। মুহাম্ম দ নামের অর্থঃ প্রশংসিত। আরবী আবযাত সংখ্যানুযায়ী মুহাম্ম দ নামের সংখ্যা ৯২। ৪০+৮+৪০+৮ = ৯২। এই নাম নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর ছেফতী নাম। অর্থাৎ ইসছে ছেফতী।

৮. মুহাম্ম দ নামের আরবী আবযাত সংখ্যানুযায়ী ৯২। এটি এমন একটি সংখ্যা যা সৃষ্টিজগতের সকল কিছুর মধ্যেই পাওয়া যায়। বৈজ্ঞানিকগণ প্রমাণ করেছেন যে, সব কিছুর মধ্যেই ৯২ বিদ্যমান। এতেই প্রমানিত হয় - নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম থেকেই সকল কিছু সৃষ্টি হয়েছে। কারণ সৃষ্টির সব কিছুই মোহাম্ম দ অর্থাৎ মিম আকার ধারণ করে সৃষ্টি হয়।

৯. হযরত জাবের রাদিআল্লাহু তা'য়ালা আনহু বর্ণনা করেনঃ আমি জিগ্যাসা করলাম, হে আল্লাহর রাছুল সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম, আল্লাহ পাক সর্বপ্রথম কোন্ জিনিস সৃষ্টি করেছেন?

নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এরশাদ করেনঃ আউয়ালু মা খালাক আল্লাহু নুরী। আল্লাহ পাক সর্বপ্রথম আমার নুর সৃষ্টি করেছেন। তিনি আরো বললেনঃ ওয়া খালাক আল্লাহ নুরী, আনামিন নুরিল্লাহে ওয়া কুল্লু শাইয়েম মিন নুরী। অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম বললেনঃ আমি আল্লাহর নুর হতে এবং সমস্ত মাখলুক আমার নুর হতে সৃষ্টি। যেমনঃ ফেরেস্তা, জিন, ইনসান, বেহেস্ত, দোজখ, আকাশ, পাতাল, আরশ, কুরছি, লৌহ, কলম ইত্যাদি।

১০. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর নামের সাথে আল্লাহ পাকের নামের কতো মিল দেখুন। যেমনঃ বাংলা ভাষায় দুইজন ব্যক্তি বুঝাতে এবং, ও বসাতে হয়। ইংরেজীতে বসাতে এন্ড শব্দ ব্যবহৃত হয়। আরবীতে বসাতে ওয়া বসাতে হয়। কিন্তু কলেমা শরীফের মধ্যে কোন ওয়া শব্দ নাই।
যেমনঃ "লা ইলাহা ইল্লাল্লালাহু মুহাম্ম দুর রাসুলাল্লাহ।"
যদি কলেমা শরীফের মধ্যে ওয়া শব্দের ব্যবহার হতো, তাহলে কলেমা শরীফ নিম্নরুপ হতোঃ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া মুহাম্ম দুর রাসুলাল্লাহ।

১১. কোরআন শরীফে সুরা নেছার ১৫০ নং অায়াতে কারিমায় আল্লাহ পাক এরশাদ করেনঃ ওয়া ইউরেদুনা আয়্যু ফারাক্কু বাইনাল্লাহে ওয়া রাসুলেহি অর্থঃ তোমরা আল্লাহ এবং রছুলের মধ্যে পৃথক করিও না। যদি করা হয়, তার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী অায়াত ১৫১ নং বলা হয়েছেঃ উলাইকা হুমুল কাফেরুনা হাক্কা। অর্থঃ তারাই সত্যিকারের কাফের। অর্থাৎ যারা আল্লাহ পাক এবং তার রছুলের মধ্যে পার্থক্য করার চেষ্টা করে, তারাই সত্যিকারের নির্ভেজাল কাফের। এতে কোন খাদ নেই। নিখাদ কাফের।

১২. এবার দেখুনঃ শুরু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ উচ্চারণ করলে যেমন কলেমা পুর্ণ হয় না। মুহাম্ম দুর রাসুলাল্লাহ অবশ্যই বলতে হয়। তদ্রুপ শুধু আলিফের উচ্চারণ হয় না। অন্য অক্ষরও যুক্ত করা লাগে। যেমনঃ লাম আলিফ, ইয়া আলিফ। অতএব, এখন বুঝা গেল একটির সাথে অন্যটি ওতোপ্রেতভাবে জড়িত। তাই দেখা যায়ঃ আল্লাহ ও রাসুলের সাথেও ঐ রকম সম্পর্ক বিদ্যামান।

"মোহাম্ম দ খোদা নেহী খোদাছে জুদা নেহী
মোহাম্ম দ ছে পুছিও শানে খোদা কি
খোদাছে পুছিও শানে মুহাম্ম দ কি"


১৩. এবার দেখুন আল্লাহ শব্দ অারবীতে লিখতে চারটি অক্ষরের প্রয়োজন। কিন্তু কোনো একটি অক্ষরের মধ্যে কোনো নোকতা নেই।

১৪.নবী করীম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর আহম্ম দ নাম অারবীতে লিখতে চারটি অক্ষরের প্রয়োজন হয়। কিন্তু একটি অক্ষরের মধ্যে কোনো নোকতা নেই।

১৫. রসুলে আকরাম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম মোহাম্ম দ  নাম আরবীতে লিখতে চারটি অক্ষরের প্রয়োজন হয় । কিন্তু কোনো একটি অক্ষরের মধ্যে কোনো নোকতা নেই।

১৬. লা ইলাহা ইল্লাল্লালাহু আরবীতে লিখতে বারোটি অক্ষরের প্রয়োজন হয়। কিন্তু কোনো একটি অক্ষরের মধ্যে কোনো নোকতা নেই।

১৭. নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর নাম মোহাম্ম দুর রাসুলুল্লাহ আরবীতে লিখতে বারোটি অক্ষরের প্রয়োজন হয়। কিন্ত্তু কোনো একটি অক্ষরের মধ্যেও কোনো নোকতা নেই।

১৬. নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর পিতা এবং মাতার নামের সাথে আল্লাহর নামের সাথেও মিল আছে। যেমনঃ আল্লাহ নামটি লিখতে বাংলার  অক্ষর লিখতে হয় ঠিক তেমনি নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর মাতার নাম আমিনা লিখতেও অক্ষর ব্যবহার করা হয়। তদ্রুপ পিতার নাম আবদুল্লাহ লিখতেও অক্ষর ব্যবহার করা হয়।

১৭. আল্লাহ হলেন আশেক এবং নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম হলেন মাশুক। যিনি প্রেম বিতরণ করেন তিনি মাশুক। এ সমন্ধে হযরত খাজা শাহ্ পীর চিশতী (রহমাতুল্লাহ আলাইহে) তার চিশতী উদ্যান শরীফে বলেনঃ

"মোহাম্ম দ মোস্তফা জানে আপে খোদা নিরঞ্জন,
খোদে খোদা তায়ালা জানে মোস্তফা কেমন জন,
আশেকে মাশুক ধন মাশুকে আশেক রতন।"

১৮. আল্লাহ হলেনঃ রাব্বুল আলামিন অর্থাৎ সমস্ত জগতের প্রভু।

১৯. হযরত রাসুল পাক সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম হলেনঃ রাহমাতুললিল আলামি। অর্থাৎ সমস্ত জগতের রহমত।

২০. যথায় আল্লাহ তথায় রসুল। আল্লাহ আছেন প্রভু হিসাবে আর নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম আছেন রহমত হিসাবে।

২১. আল্লাহ হলেন এক (১) আর নবী সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম হলেন শুন্য(০)। এক ছাড়া হাজার হাজার শুন্য বসালেও কোনো মুল্য নেই। কিন্তু শুন্য ছাড়া এক এরও কোন মুল্য নেই। কারণ শুণ্য ছাড়া এক এর একই মান থাকে। কোনো পরিবর্তন হয় না। কিন্তু এক এর পর শুন্য যত বসতে থাকে, এক এর মান তত বাড়তে থাকে।

২২. নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম কে সৃষ্টি করে আল্লাহ পাক সর্বপ্রথম ময়ুররুপে "শাজারাতুল ইয়াক্কিন" নামক একটি গাছের উপর উপবিষ্ট রেখেছিলেন। ঐ ময়ুরের গলায় একটি হার ছিল। দুই কানে দুইটি দুল ছিল। মাথায় তাজ ছিল। ঐ ময়ুরটির গলার হার ছিলেন বিবি ফাহিমা (সালামাল্লাহু আলাইহা)। দুই কানের দুল ছিল ইমাম হাসান আলাইহেস সালাম এবং ইমাম হুসাইন আলাইহেস সালাম। মাথার তাজ ছিল ছিলেন হযরত আলী কারামাল্লাহু ওয়াজহু। এরাই শানে পাক পাঞ্জাতন।

২৩. লাও লাকা লামা খালাকতুল আফলাক। নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর শানে আল্লাহ পাক বলছেনঃ যদি আমি অাপনাকে সৃষ্টি না করতাম তাহলে কোনকিছুই সৃষ্টি করতাম না।[হাদিছে কুদছি]

২৪. হযরত মুহাম্ম দ সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম মার্তৃগর্ভে মাহে রজব মাসের প্রথম জুম্মাা রাতে তশরীফ নিয়েছিলেন।

২৫. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর জন্মদিন অর্থাৎ ঈদ এ মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম শবে কদর রাত্রি অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

২৬. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর জন্মগ্রহণের মাস অন্যান্য মাসের তুলনায় অতি উত্তম। কারণ রবিউল আউয়াল মাস হলোঃ প্রথম বসন্ত বা সৌন্দর্য্যের মাস।

২৭. হযরত মুহাম্ম দ সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম জন্মগ্রহণ করেছেন সোমবার বারোই রবিউল আউয়াল মাসে মক্কা নগরীতে সুবহ্ ছাদিকের সময় আর বেছালে হক প্রাপ্তি হয়েছেন বারোই রবিউল আউয়াল মাসের সোমবারে দ্বিপ্রহরের সময় মদীনাতে।

২৮. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম জন্মগ্রহণের সময় সেজদাহরত অবস্থায় ছিলেন।

২৯. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম খতনাকৃত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

৩০. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর জন্মসময় তাঁর মায়ের কোন নেফাক হয় নাই।

৩১. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর জন্মের সময় কোন পুরুষ সন্তান জন্মগ্রহণ করে নাই।

৩২. নবী করিম সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর জন্ম গ্রহণের সময় একটি মাত্র মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সেই মেয়েটি মারা যায়। ঐ মেয়েটির মা ছিল আবু লাহাবের মুক্তিপ্রাপ্ত দাসী ছোয়াইবা রাদি আল্লাহুআনহুমা।

৩৩. নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর শরীর মোবারকের কোনো ওজন ছিল না।

৩৪. নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর শরীর মোবারকের কোনো ছায়া ছিল না।

৩৫. নবীজি সাল্লাল্লালাহু আলাইহে ওয়াছ ছালাম এর শরীরে কোনো মশা - মাছি বসতো না।












মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

উৎসর্গ